OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 594

Al-Fajr, Al-Balad · 89:23–90:18

সূরা Al-Fajr الفجر

وَجِيءَ يَوْمَئِذٍ بِجَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ يَتَذَكَّرُ الْإِنسَانُ وَأَنَّىٰ لَهُ الذِّكْرَىٰ ٢٣

আর জাহান্নামকে সেদিন (সামনাসামনি) আনা হবে। সেদিন মানুষ উপলব্ধি করবে, কিন্তু তখন এ উপলব্ধি তার কী কাজে আসবে?

يَقُولُ يَا لَيْتَنِي قَدَّمْتُ لِحَيَاتِي ٢٤

সে বলবে, ‘হায়! আমার (এখনকার) জীবনের জন্য যদি আমি (সৎকর্ম) আগে পাঠাতাম!

فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُ أَحَدٌ ٢٥

অতঃপর সেদিন তাঁর শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিতে পারবে না

وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ ٢٦

এবং তাঁর বাঁধনের মত কেউ বাঁধতে পারবে না।

يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ ٢٧

(অপর দিকে নেককার লোককে বলা হবে) হে প্রশান্ত আত্মা!

ارْجِعِي إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً ٢٨

তোমার রব-এর দিকে ফিরে এসো সন্তুষ্ট হয়ে এবং (তোমার রব-এর) সন্তুষ্টির পাত্র হয়ে।

فَادْخُلِي فِي عِبَادِي ٢٩

অতঃপর আমার (নেক) বান্দাহদের মধ্যে শামিল হও

وَادْخُلِي جَنَّتِي ٣٠

আর আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।

সূরা Al-Balad البلد

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

لَا أُقْسِمُ بِهَٰذَا الْبَلَدِ ١

(কাফিররা বলছে দুনিয়ার জীবনই সবকিছু) না, আমি এই (মক্কা) নগরের শপথ করছি (যে নগরে সকলেই নিরাপদ),

وَأَنتَ حِلٌّ بِهَٰذَا الْبَلَدِ ٢

আর তুমি এই নগরের হালালকারী।

وَوَالِدٍ وَمَا وَلَدَ ٣

শপথ জন্মদাতা (আদম)-এর আর যা সে জন্ম দিয়েছে (সেই সমস্ত মানুষের),

لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي كَبَدٍ ٤

আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি অত্যন্ত কষ্ট ও শ্রমের মাঝে, (দুনিয়ার প্রত্যেকটি মানুষ কোন না কোন কষ্টের মধ্যে পতিত আছে)।

أَيَحْسَبُ أَن لَّن يَقْدِرَ عَلَيْهِ أَحَدٌ ٥

সে কি মনে করে যে তার উপর কেউ ক্ষমতাবান নেই?

يَقُولُ أَهْلَكْتُ مَالًا لُّبَدًا ٦

সে (গর্বের সঙ্গে) বলে যে, আমি প্রচুর ধন-সম্পদ উড়িয়েছি।

أَيَحْسَبُ أَن لَّمْ يَرَهُ أَحَدٌ ٧

সে কি মনে করে যে তাকে কেউ দেখেনি?

أَلَمْ نَجْعَل لَّهُ عَيْنَيْنِ ٨

আমি কি তাকে দু’টো চোখ দিইনি?

وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ ٩

আর একটা জিহবা আর দু’টো ঠোঁট?

وَهَدَيْنَاهُ النَّجْدَيْنِ ١٠

আর আমি তাকে (পাপ ও পুণ্যের) দু’টো পথ দেখিয়েছি।

فَلَا اقْتَحَمَ الْعَقَبَةَ ١١

(মানুষকে এত গুণবৈশিষ্ট্য ও মেধা দেয়া সত্ত্বেও) সে (ধর্মের) দুর্গম গিরি পথে প্রবেশ করল না।

وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْعَقَبَةُ ١٢

তুমি কি জান দুর্গম গিরিপথ কী?

فَكُّ رَقَبَةٍ ١٣

(তা হচ্ছে) দাসমুক্তি।

أَوْ إِطْعَامٌ فِي يَوْمٍ ذِي مَسْغَبَةٍ ١٤

অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে খাদ্য দান

يَتِيمًا ذَا مَقْرَبَةٍ ١٥

নিকটাত্মীয় ইয়াতীমকে,

أَوْ مِسْكِينًا ذَا مَتْرَبَةٍ ١٦

অথবা দারিদ্র-ক্লিষ্ট মিসকীনকে।

ثُمَّ كَانَ مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ وَتَوَاصَوْا بِالْمَرْحَمَةِ ١٧

তদুপরি সে মু’মিনদের মধ্যে শামিল হয় আর পরস্পরকে ধৈর্য ধারণের ও দয়া প্রদর্শনের উপদেশ দেয়।

أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ ١٨

তারাই ডানপন্থী (সৌভাগ্যবান লোক)।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন