OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 593

Al-Ghashiyah, Al-Fajr · 88:23–89:22

সূরা Al-Ghashiyah الغاشية

إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ ٢٣

তবে কেউ কুফুরি করলে এবং মুখ ফিরিয়ে নিলে

فَيُعَذِّبُهُ اللَّهُ الْعَذَابَ الْأَكْبَرَ ٢٤

আল্লাহ তাকে মহাশাস্তিতে শাস্তি দেবেন।

إِنَّ إِلَيْنَا إِيَابَهُمْ ٢٥

তাদেরকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে।

ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُم ٢٦

অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া তো আমারই কাজ।

সূরা Al-Fajr الفجر

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالْفَجْرِ ١

ঊষার শপথ,

وَلَيَالٍ عَشْرٍ ٢

(জিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ রাতের শপথ,

وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ ٣

জোড় ও বেজোড়ের শপথ,

وَاللَّيْلِ إِذَا يَسْرِ ٤

আর রাতের শপথ যখন তা গত হতে থাকে,

هَلْ فِي ذَٰلِكَ قَسَمٌ لِّذِي حِجْرٍ ٥

অবশ্যই এতে জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য শপথ আছে।

أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ ٦

তুমি কি দেখনি তোমার প্রতিপালক ‘আদ জাতির সঙ্গে কী ব্যবহার করেছিলেন?

إِرَمَ ذَاتِ الْعِمَادِ ٧

উচ্চ স্তম্ভ নির্মাণকারী ইরাম গোত্রের প্রতি?

الَّتِي لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِي الْبِلَادِ ٨

যার সমতুল্য অন্য কোন দেশে নির্মিত হয়নি।

وَثَمُودَ الَّذِينَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ ٩

এবং সামূদের প্রতি যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল?

وَفِرْعَوْنَ ذِي الْأَوْتَادِ ١٠

এবং (সেনা ছাউনী স্থাপনের কাজে ব্যবহৃত) কীলক-এর অধিপতি ফেরাউনের প্রতি?

الَّذِينَ طَغَوْا فِي الْبِلَادِ ١١

যারা দেশে সীমালঙ্ঘনমূলক আচরণ করেছিল,

فَأَكْثَرُوا فِيهَا الْفَسَادَ ١٢

আর সেখানে বহু বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল।

فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ ١٣

অতঃপর তোমার প্রতিপালক তাদের উপর শাস্তির চাবুক হানলেন

إِنَّ رَبَّكَ لَبِالْمِرْصَادِ ١٤

তোমার প্রতিপালক অবশ্যই সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন (যেমন ঘাঁটিতে শত্রুর প্রতি দৃষ্টি রাখা হয়)।

فَأَمَّا الْإِنسَانُ إِذَا مَا ابْتَلَاهُ رَبُّهُ فَأَكْرَمَهُ وَنَعَّمَهُ فَيَقُولُ رَبِّي أَكْرَمَنِ ١٥

মানুষ এমন যে, তার প্রতিপালক যখন তাকে পরীক্ষা করেন সম্মান ও অনুগ্রহ দান ক’রে, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন।’

وَأَمَّا إِذَا مَا ابْتَلَاهُ فَقَدَرَ عَلَيْهِ رِزْقَهُ فَيَقُولُ رَبِّي أَهَانَنِ ١٦

আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন তার রিযক সঙ্কুচিত ক’রে, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে লাঞ্ছিত করেছেন।’

كَلَّا بَل لَّا تُكْرِمُونَ الْيَتِيمَ ١٧

না (রিযক) কক্ষনো (মান-সম্মানের মানদন্ড) নয়, বরং তোমরা ইয়াতীমের প্রতি সম্মানজনক আচরণ কর না,

وَلَا تَحَاضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ ١٨

আর তোমরা ইয়াতীম মিসকিনকে খাদ্য দেয়ার জন্য পরস্পরকে উৎসাহিত কর না,

وَتَأْكُلُونَ التُّرَاثَ أَكْلًا لَّمًّا ١٩

আর তোমরা উত্তরাধিকারীদের সব সম্পদ খেয়ে ফেল।

وَتُحِبُّونَ الْمَالَ حُبًّا جَمًّا ٢٠

আর তোমরা ধনসম্পদকে অতিরিক্ত ভালবাস।

كَلَّا إِذَا دُكَّتِ الْأَرْضُ دَكًّا دَكًّا ٢١

এটা মোটেই ঠিক নয়, যখন পৃথিবীকে চূর্ণ বিচূর্ণ করে বালি বানিয়ে দেয়া হবে,

وَجَاءَ رَبُّكَ وَالْمَلَكُ صَفًّا صَفًّا ٢٢

আর যখন তোমার প্রতিপালক আসবেন আর ফেরেশতারা আসবে সারিবদ্ধ হয়ে,

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন