পৃষ্ঠা 592
Al-Ala, Al-Ghashiyah · 87:11–88:22
সূরা Al-Ala الأعلى
وَيَتَجَنَّبُهَا الْأَشْقَى ١١
আর তা উপেক্ষা করবে যে চরম হতভাগা।
الَّذِي يَصْلَى النَّارَ الْكُبْرَىٰ ١٢
যে ভয়াবহ আগুনে প্রবেশ করবে।
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ ١٣
অতঃপর সেখানে সে না (মরার মত) মরবে, আর না (বাঁচার মত) বাঁচবে।
قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ ١٤
সাফল্য লাভ করবে সে যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে,
وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ ١٥
আর তার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও নামায কায়েম করে।
بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ١٦
কিন্তু তোমরা তো দুনিয়ার জীবনকেই প্রাধান্য দাও,
وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ ١٧
অথচ আখিরাতই অধিক উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।
إِنَّ هَٰذَا لَفِي الصُّحُفِ الْأُولَىٰ ١٨
আগের কিতাবগুলোতে এ কথা (লিপিবদ্ধ) আছে,
صُحُفِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَىٰ ١٩
ইবরাহীম ও মূসার কিতাবে।
সূরা Al-Ghashiyah الغاشية
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ ١
(সব কিছুকে) আচ্ছন্নকারী কিয়ামাতের খবর তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ خَاشِعَةٌ ٢
কতক মুখ সেদিন নীচু হবে
عَامِلَةٌ نَّاصِبَةٌ ٣
হবে কর্মক্লান্ত, শ্রান্ত।
تَصْلَىٰ نَارًا حَامِيَةً ٤
তারা জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।
تُسْقَىٰ مِنْ عَيْنٍ آنِيَةٍ ٥
টগবগে ফুটন্ত ঝর্ণা থেকে তাদেরকে পান করানো হবে।
لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍ ٦
কাঁটাযুক্ত শুকনো ঘাস ছাড়া তাদের জন্য আর কোন খাদ্য থাকবে না।
لَّا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِن جُوعٍ ٧
যা পুষ্টিসাধন করবে না, আর ক্ষুধাও মিটাবে না।
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَّاعِمَةٌ ٨
কতক মুখ সেদিন হবে আনন্দে উজ্জ্বল।
لِّسَعْيِهَا رَاضِيَةٌ ٩
নিজেদের চেষ্টা-সাধনার জন্য সন্তুষ্ট।
فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ ١٠
উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ জান্নাতে,
لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَاغِيَةً ١١
সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা,
فِيهَا عَيْنٌ جَارِيَةٌ ١٢
সেখানে থাকবে প্রবহমান ঝর্ণা,
فِيهَا سُرُرٌ مَّرْفُوعَةٌ ١٣
সেখানে থাকবে উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন আসন,
وَأَكْوَابٌ مَّوْضُوعَةٌ ١٤
পানপাত্র থাকবে প্রস্তুত।
وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌ ١٥
সারি সারি বালিশ,
وَزَرَابِيُّ مَبْثُوثَةٌ ١٦
আর থাকবে মখমল- বিছানো।
أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ١٧
(ক্বিয়ামত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কী ভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে?
وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ١٨
এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে?
وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ١٩
এবং পর্বতমালার দিকে, কী রকম দৃঢ়ভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে?
وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ ٢٠
আর যমীনের দিকে, কীভাবে তাকে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে?
فَذَكِّرْ إِنَّمَا أَنتَ مُذَكِّرٌ ٢١
কাজেই তুমি তাদেরকে উপদেশ দাও, তুমি একজন উপদেশদাতা মাত্র।
لَّسْتَ عَلَيْهِم بِمُصَيْطِرٍ ٢٢
তুমি তাদের ওপর জবরদস্তিকারী নও।
অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন