OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 591

At-Tariq, Al-Ala · 86:1–87:10

সূরা At-Tariq الطارق

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ ١

শপথ আসমানের আর যা রাতে আসে তার,

وَمَا أَدْرَاكَ مَا الطَّارِقُ ٢

তুমি কি জান যা রাতে আসে তা কী?

النَّجْمُ الثَّاقِبُ ٣

উজ্জ্বল নক্ষত্র।

إِن كُلُّ نَفْسٍ لَّمَّا عَلَيْهَا حَافِظٌ ٤

প্রত্যেক আত্মার সাথে একজন সংরক্ষক আছে।

فَلْيَنظُرِ الْإِنسَانُ مِمَّ خُلِقَ ٥

অতঃপর মানুষ চিন্তা করে দেখুক কোন জিনিস থেকে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।

خُلِقَ مِن مَّاءٍ دَافِقٍ ٦

তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সবেগে বের হয়ে আসা পানি থেকে।

يَخْرُجُ مِن بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ ٧

যা বের হয় শিরদাঁড়া ও পাঁজরের মাঝখান থেকে।

إِنَّهُ عَلَىٰ رَجْعِهِ لَقَادِرٌ ٨

তিনি মানুষকে আবার (জীবনে) ফিরিয়ে আনতে অবশ্যই সক্ষম।

يَوْمَ تُبْلَى السَّرَائِرُ ٩

যেদিন (কাজকর্ম আকীদা বিশ্বাস ও নিয়্যাত সম্পর্কিত) গোপন বিষয়াদি যাচাই পরখ করা হবে।

فَمَا لَهُ مِن قُوَّةٍ وَلَا نَاصِرٍ ١٠

সেদিন মানুষের না থাকবে নিজের কোন সামর্থ্য, আর না থাকবে কোন সাহায্যকারী।

وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الرَّجْعِ ١١

ঘুরে ঘুরে আসা বৃষ্টিবাহী আকাশের শপথ,

وَالْأَرْضِ ذَاتِ الصَّدْعِ ١٢

এবং গাছপালার চারা গজানোর সময় বক্ষ দীর্ণকারী যমীনের শপথ, (বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে বৃক্ষলতার উৎপাদন যেমন অকাট্য সত্য, তেমনি কুরআন যা ঘোষণা করে তাও অকাট্য সত্য)

إِنَّهُ لَقَوْلٌ فَصْلٌ ١٣

কুরআন (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী) চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী বাণী,

وَمَا هُوَ بِالْهَزْلِ ١٤

এবং তা কোন হাসি-ঠাট্টামূলক কথা নয়।

إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًا ١٥

এবং তারা (সত্যের বিরুদ্ধে) ষড়যন্ত্র করছে,

وَأَكِيدُ كَيْدًا ١٦

আর আমিও (তাদের অন্যায় ধ্বংসাত্মক ষড়যন্ত্র ভন্ডুল করার) কৌশল করছি।

فَمَهِّلِ الْكَافِرِينَ أَمْهِلْهُمْ رُوَيْدًا ١٧

কাজেই (এই ষড়যন্ত্রকারী) কাফিরদেরকে অবকাশ দাও, তাদেরকে কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দাও।

সূরা Al-Ala الأعلى

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ١

তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ ٢

যিনি সৃষ্টি করেছেন অতঃপর করেছেন (দেহের প্রতিটি অঙ্গকে) সামঞ্জস্যপূর্ণ।

وَالَّذِي قَدَّرَ فَهَدَىٰ ٣

যিনি সকল বস্তুকে পরিমাণ মত সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর (জীবনে চলার) পথনির্দেশ করেছেন।

وَالَّذِي أَخْرَجَ الْمَرْعَىٰ ٤

যিনি তৃণ ইত্যাদি বের করেছেন।

فَجَعَلَهُ غُثَاءً أَحْوَىٰ ٥

অতঃপর তাকে কাল আবর্জনায় পরিণত করেছেন।

سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰ ٦

আমি তোমাকে পড়িয়ে দেব, যার ফলে তুমি ভুলে যাবে না।

إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ ٧

তবে ওটা বাদে যেটা আল্লাহ (রহিত করার) ইচ্ছে করবেন। তিনি জানেন যা প্রকাশ্য আর যা গোপন।

وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَىٰ ٨

আমি তোমার জন্য সহজপথ (অনুসরণ করা) আরো সহজ করে দেব।

فَذَكِّرْ إِن نَّفَعَتِ الذِّكْرَىٰ ٩

কাজেই তুমি উপদেশ দাও যদি উপদেশ উপকার দেয়।

سَيَذَّكَّرُ مَن يَخْشَىٰ ١٠

যে ভয় করে সে উপদেশ গ্রহণ করবে।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন