OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 588

Al-Mutaffifin · 83:5–83:33

সূরা Al-Mutaffifin المطففين

لِيَوْمٍ عَظِيمٍ ٥

এক মহা দিবসে।

يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ ٦

যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে।

كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْفُجَّارِ لَفِي سِجِّينٍ ٧

(তারা যে সব ধারণা করছে তা) কক্ষনো না, নিশ্চয়ই পাপীদের ‘আমালনামা সিজ্জীনে (সংরক্ষিত) আছে।

وَمَا أَدْرَاكَ مَا سِجِّينٌ ٨

তুমি কি জান সিজ্জীন কী

كِتَابٌ مَّرْقُومٌ ٩

সীলমোহরকৃত কিতাব।

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ ١٠

সেদিন দুর্ভোগ হবে অস্বীকারকারীদের,

الَّذِينَ يُكَذِّبُونَ بِيَوْمِ الدِّينِ ١١

যারা কর্মফল দিবসকে অস্বীকার করে।

وَمَا يُكَذِّبُ بِهِ إِلَّا كُلُّ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ١٢

কেবল সীমালঙ্ঘনকারী, পাপাচারী ছাড়া কেউই তা অস্বীকার করে না।

إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ ١٣

তার সামনে যখন আমার আয়াত পড়ে শোনানো হয়, তখন সে বলে, ‘এ তো প্রাচীন কালের লোকেদের কাহিনী’’।

كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَىٰ قُلُوبِهِم مَّا كَانُوا يَكْسِبُونَ ١٤

কক্ষনো না, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং ধরিয়ে দিয়েছে।

كَلَّا إِنَّهُمْ عَن رَّبِّهِمْ يَوْمَئِذٍ لَّمَحْجُوبُونَ ١٥

কক্ষনো না, তারা সেদিন তাদের প্রতিপালক থেকে পর্দার আড়ালে থাকবে।

ثُمَّ إِنَّهُمْ لَصَالُو الْجَحِيمِ ١٦

অতঃপর তারা অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে।

ثُمَّ يُقَالُ هَٰذَا الَّذِي كُنتُم بِهِ تُكَذِّبُونَ ١٧

অতঃপর বলা হবে ‘এটাই তা যা তোমরা অস্বীকার করতে।’

كَلَّا إِنَّ كِتَابَ الْأَبْرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ ١٨

(ভাল-মন্দের বিচার হবে না, শাস্তি-পুরস্কার কিছুই হবে না তা) কক্ষনো না, নিশ্চয়ই সৎলোকদের ‘আমালমানা ‘ইল্লিয়ীনে (সংরক্ষিত) আছে।

وَمَا أَدْرَاكَ مَا عِلِّيُّونَ ١٩

তুমি কি জান ইল্লিয়ীন কী?

كِتَابٌ مَّرْقُومٌ ٢٠

সীলমোহরকৃত কিতাব।

يَشْهَدُهُ الْمُقَرَّبُونَ ٢١

আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত (ফেরেশতারা) তার তত্ত্বাবধান করে।

إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ ٢٢

পুণ্যবান লোকেরা থাকবে অফুরন্ত নি‘মাতের মাঝে।

عَلَى الْأَرَائِكِ يَنظُرُونَ ٢٣

উচ্চ আসনে বসে তারা (চারদিকের সবকিছু) দেখতে থাকবে।

تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ ٢٤

তুমি তাদের মুখে আরাম আয়েশের উজ্জ্বলতা দেখতে পাবে।

يُسْقَوْنَ مِن رَّحِيقٍ مَّخْتُومٍ ٢٥

তাদেরকে পান করানো হবে সীল-আঁটা উৎকৃষ্ট পানীয়।

خِتَامُهُ مِسْكٌ وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ ٢٦

তার সীল হবে মিশকের, প্রতিযোগীরা এ বিষয়েই প্রতিযোগিতা করুক।

وَمِزَاجُهُ مِن تَسْنِيمٍ ٢٧

তাতে মেশানো থাকবে ‘তাসনীম,

عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا الْمُقَرَّبُونَ ٢٨

ওটা একটা ঝর্ণা, যাত্থেকে (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তরা পান করবে।

إِنَّ الَّذِينَ أَجْرَمُوا كَانُوا مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا يَضْحَكُونَ ٢٩

পাপাচারী লোকেরা (দুনিয়ায়) মু’মিনদেরকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত।

وَإِذَا مَرُّوا بِهِمْ يَتَغَامَزُونَ ٣٠

আর তারা যখন তাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করত তখন পরস্পরে চোখ টিপে ইশারা করত।

وَإِذَا انقَلَبُوا إِلَىٰ أَهْلِهِمُ انقَلَبُوا فَكِهِينَ ٣١

আর তারা যখন তাদের আপন জনদের কাছে ফিরে আসত, তখন (মু’মিনদেরকে ঠাট্টা ক’রে আসার কারণে) ফিরত উৎফুল্ল হয়ে।

وَإِذَا رَأَوْهُمْ قَالُوا إِنَّ هَٰؤُلَاءِ لَضَالُّونَ ٣٢

আর তারা যখন মু’মিনদেরকে দেখত তখন বলত, ‘এরা তো অবশ্যই গুমরাহ্।’

وَمَا أُرْسِلُوا عَلَيْهِمْ حَافِظِينَ ٣٣

তাদেরকে তো মু’মিনদের হিফাযাতকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি (মু’মিনদের কৃতকর্মের হিসাব মু’মিনরাই দিবে)।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন