OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 584

An-Naziat · 79:17–79:46

সূরা An-Naziat النازعات

اذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُ طَغَىٰ ١٧

‘ফেরাউনের কাছে যাও, সে সীমালঙ্ঘন করেছে,

فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰ أَن تَزَكَّىٰ ١٨

তাকে জিজ্ঞেস কর, ‘তুমি কি পবিত্রতা অবলম্বন করতে ইচ্ছুক?

وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ ١٩

আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাই যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’

فَأَرَاهُ الْآيَةَ الْكُبْرَىٰ ٢٠

অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।

فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ ٢١

কিন্তু সে অস্বীকার করল ও অমান্য করল।

ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ ٢٢

অতঃপর সে (আল্লাহর বিরুদ্ধে) জোর প্রচেষ্টা চালানোর জন্য (সত্যের) উল্টোপথে ফিরে গেল।

فَحَشَرَ فَنَادَىٰ ٢٣

সে লোকদেরকে একত্রিত করল আর ঘোষণা দিল।

فَقَالَ أَنَا رَبُّكُمُ الْأَعْلَىٰ ٢٤

সে বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ রব’।

فَأَخَذَهُ اللَّهُ نَكَالَ الْآخِرَةِ وَالْأُولَىٰ ٢٥

পরিশেষে আল্লাহ তাকে আখেরাত ও দুনিয়ার ‘আযাবে পাকড়াও করলেন।

إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّمَن يَخْشَىٰ ٢٦

যে ভয় করে এমন প্রতিটি লোকের জন্য এতে অবশ্যই শিক্ষা আছে।

أَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا ٢٧

তোমাদের সৃষ্টি বেশি কঠিন না আকাশের? তিনি তো সেটা সৃষ্টি করেছেন।

رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا ٢٨

তার ছাদ অনেক উচ্চে তুলেছেন, অতঃপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ করেছেন।

وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَاهَا ٢٩

তিনি তার রাতকে আঁধারে ঢেকে দিয়েছেন, আর তার দিবালোক প্রকাশ করেছেন।

وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَاهَا ٣٠

অতঃপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।

أَخْرَجَ مِنْهَا مَاءَهَا وَمَرْعَاهَا ٣١

তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।

وَالْجِبَالَ أَرْسَاهَا ٣٢

পবর্তকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,

مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِأَنْعَامِكُمْ ٣٣

এ সমস্ত তোমাদের আর তোমাদের গৃহপালিত পশুগুলোর জীবিকার সামগ্রী।

فَإِذَا جَاءَتِ الطَّامَّةُ الْكُبْرَىٰ ٣٤

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।

يَوْمَ يَتَذَكَّرُ الْإِنسَانُ مَا سَعَىٰ ٣٥

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে যা কিছু করার জন্য সে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ ٣٦

এবং জাহান্নামকে দেখানো হবে এমন ব্যক্তিকে যে দেখতে পায়।

فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧

অতঃপর (দুনিয়ায়) যে লোক সীমালঙ্ঘন করেছিল,

وَآثَرَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا ٣٨

আর পার্থিব জীবনকে (পরকালের উপর) প্রাধান্য দিয়েছিল

فَإِنَّ الْجَحِيمَ هِيَ الْمَأْوَىٰ ٣٩

জাহান্নামই হবে তার আবাসস্থল।

وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَىٰ ٤٠

আর যে লোক তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করেছিল এবং নিজেকে কামনা বাসনা থেকে নিবৃত্ত রেখেছিল,

فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَىٰ ٤١

জান্নাতই হবে তার বাসস্থান।

يَسْأَلُونَكَ عَنِ السَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَاهَا ٤٢

এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করে ক্বিয়ামত সম্পর্কে- ‘কখন তা ঘটবে?’

فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَاهَا ٤٣

এর আলোচনার সাথে তোমার কী সম্পর্ক?

إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَاهَا ٤٤

এ সংক্রান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালক পর্যন্তই শেষ।

إِنَّمَا أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَاهَا ٤٥

যারা একে ভয় করে তুমি কেবল তাদের সতর্ককারী।

كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوا إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَاهَا ٤٦

যেদিন তারা তা দেখবে সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (পৃথিবীতে) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশি অবস্থান করেনি।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন