OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 583

An-Naba, An-Naziat · 78:31–79:16

সূরা An-Naba النبأ

إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ٣١

(অন্য দিকে) মুত্তাকীদের জন্য আছে সাফল্য।

حَدَائِقَ وَأَعْنَابًا ٣٢

বাগান, আঙ্গুর,

وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا ٣٣

আর সমবয়স্কা নব্য যুবতী

وَكَأْسًا دِهَاقًا ٣٤

এবং পরিপূর্ণ পানপাত্র।

لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلَا كِذَّابًا ٣٥

সেখানে তারা শুনবে না অসার অর্থহীন আর মিথ্যে কথা,

جَزَاءً مِّن رَّبِّكَ عَطَاءً حِسَابًا ٣٦

এটা তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দান।

رَّبِّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الرَّحْمَٰنِ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًا ٣٧

যিনি আকাশ, পৃথিবী আর এগুলোর মাঝে যা কিছু আছে সব কিছুর প্রতিপালক, তিনি অতি দয়াময়, তাঁর সম্মুখে কথা বলার সাহস কারো হবে না।

يَوْمَ يَقُومُ الرُّوحُ وَالْمَلَائِكَةُ صَفًّا لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ الرَّحْمَٰنُ وَقَالَ صَوَابًا ٣٨

সেদিন রূহ (জিবরাঈল) আর ফেরেশতারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে, কেউ কোন কথা বলতে পারবে না, সে ব্যতীত যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দিবেন, আর সে যথার্থ কথাই বলবে।

ذَٰلِكَ الْيَوْمُ الْحَقُّ فَمَن شَاءَ اتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِ مَآبًا ٣٩

এ দিনটি সত্য, সুনিশ্চিত, অতএব যার ইচ্ছে সে তার প্রতিপালকের দিকে আশ্রয় গ্রহণ করুক।

إِنَّا أَنذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنظُرُ الْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ الْكَافِرُ يَا لَيْتَنِي كُنتُ تُرَابًا ٤٠

আমি তোমাদেরকে নিকটবর্তী শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করছি, যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাতগুলো আগেই কী (‘আমাল) পাঠিয়েছে আর কাফির বলবে- ‘হায়! আমি যদি মাটি হতাম (তাহলে আমাকে আজকের এ ‘আযাবের সম্মুখীন হতে হত না)।

সূরা An-Naziat النازعات

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالنَّازِعَاتِ غَرْقًا ١

শপথ সেই ফেরেশতাদের যারা (পাপীদের আত্মা) নির্মমভাবে টেনে বের করে,

وَالنَّاشِطَاتِ نَشْطًا ٢

আর যারা (নেককারদের আত্মা) খুবই সহজভাবে বের করে,

وَالسَّابِحَاتِ سَبْحًا ٣

শপথ সেই ফেরেশতাদের যারা দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটে,

فَالسَّابِقَاتِ سَبْقًا ٤

আর (আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য) ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে যায়,

فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا ٥

অতঃপর সব কাজের ব্যবস্থা করে।

يَوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُ ٦

সেদিন ভূকম্পন প্রকম্পিত করবে,

تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ ٧

তারপর আসবে আরেকটি ভূকম্পন।

قُلُوبٌ يَوْمَئِذٍ وَاجِفَةٌ ٨

কত হৃদয় সে দিন ভয়ে ভীত হয়ে পড়বে,

أَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌ ٩

তাদের দৃষ্টি নত হবে,

يَقُولُونَ أَإِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِي الْحَافِرَةِ ١٠

তারা বলে, ‘আমাদেরকে কি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে?

أَإِذَا كُنَّا عِظَامًا نَّخِرَةً ١١

আমরা যখন পচা-গলা হাড় হয়ে যাব (তখনও)?’

قَالُوا تِلْكَ إِذًا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌ ١٢

তারা বলে, ‘অবস্থা যদি তাই হয় তাহলে এই ফিরিয়ে আনাটাতো সর্বনাশের ব্যাপার হবে।’

فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ ١٣

ওটা তো কেবল একটা বিকট আওয়াজ,

فَإِذَا هُم بِالسَّاهِرَةِ ١٤

সহসাই তারা খোলা ময়দানে আবির্ভূত হবে।

هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ مُوسَىٰ ١٥

মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?

إِذْ نَادَاهُ رَبُّهُ بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًى ١٦

যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র তুয়া প্রান্তরে ডাক দিয়ে বলেছিলেন

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন