পৃষ্ঠা 582
An-Naba · 78:1–78:30
সূরা An-Naba النبأ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
عَمَّ يَتَسَاءَلُونَ ١
লোকেরা কোন বিষয়ে একে অন্যের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
عَنِ النَّبَإِ الْعَظِيمِ ٢
(ক্বিয়ামত সংঘটিত হওয়ার) সেই মহা সংবাদের বিষয়ে,
الَّذِي هُمْ فِيهِ مُخْتَلِفُونَ ٣
যে বিষয়ে তাদের মাঝে মতপার্থক্য আছে।
كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ٤
কক্ষনো না, (তারা যা ধারণা করে তা একেবারে, অলীক ও অবাস্তব), তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।
ثُمَّ كَلَّا سَيَعْلَمُونَ ٥
আবার বলছি, কক্ষনো না (তাদের ধারণা একেবারে অলীক ও অবাস্তব), তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।
أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا ٦
(আমি যে সব কিছুকে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে সক্ষম তা তোমরা অস্বীকার করছ কীভাবে) আমি কি যমীনকে (তোমাদের জন্য) শয্যা বানাইনি?
وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا ٧
আর পর্বতগুলোকে কীলক (বানাইনি)?
وَخَلَقْنَاكُمْ أَزْوَاجًا ٨
আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়।
وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا ٩
আর তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রামদায়ী।
وَجَعَلْنَا اللَّيْلَ لِبَاسًا ١٠
রাতকে করেছি আবরণ,
وَجَعَلْنَا النَّهَارَ مَعَاشًا ١١
আর দিনকে করেছি জীবিকা সংগ্রহের মাধ্যম।
وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًا شِدَادًا ١٢
আর তোমাদের উর্ধ্বদেশে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ।
وَجَعَلْنَا سِرَاجًا وَهَّاجًا ١٣
এবং সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল প্রদীপ।
وَأَنزَلْنَا مِنَ الْمُعْصِرَاتِ مَاءً ثَجَّاجًا ١٤
আর আমি বর্ষণ করি বৃষ্টিবাহী মেঘমালা থেকে প্রচুর পানি,
لِّنُخْرِجَ بِهِ حَبًّا وَنَبَاتًا ١٥
যাতে আমি তা দিয়ে উৎপন্ন করি শস্য ও উদ্ভিদ,
وَجَنَّاتٍ أَلْفَافًا ١٦
আর ঘন উদ্যান।
إِنَّ يَوْمَ الْفَصْلِ كَانَ مِيقَاتًا ١٧
নিশ্চয়ই নির্ধারিত আছে মীমাংসার দিন,
يَوْمَ يُنفَخُ فِي الصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًا ١٨
সেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, আর তোমরা দলে দলে আসবে,
وَفُتِحَتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ أَبْوَابًا ١٩
আকাশ খুলে দেয়া হবে আর তাতে হবে অনেক দরজা।
وَسُيِّرَتِ الْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًا ٢٠
আর পর্বতগুলোকে করা হবে চলমান, ফলে তা নিছক মরীচিকায় পরিণত হবে।
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا ٢١
জাহান্নাম তো ওঁৎ পেতে আছে,
لِّلطَّاغِينَ مَآبًا ٢٢
(আর তা হল) সীমালঙ্ঘনকারীদের আশ্রয়স্থল।
لَّابِثِينَ فِيهَا أَحْقَابًا ٢٣
সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে থাকবে,
لَّا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرْدًا وَلَا شَرَابًا ٢٤
সেখানে তারা কোন শীতল ও পানীয় আস্বাদন করবে না
إِلَّا حَمِيمًا وَغَسَّاقًا ٢٥
ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া;
جَزَاءً وِفَاقًا ٢٦
উপযুক্ত প্রতিফল।
إِنَّهُمْ كَانُوا لَا يَرْجُونَ حِسَابًا ٢٧
তারা (তাদের কৃতকর্মের) কোন হিসাব-নিকাশ আশা করত না,
وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كِذَّابًا ٢٨
তারা আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করেছিল- পুরোপুরি অস্বীকার।
وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَاهُ كِتَابًا ٢٩
সবকিছুই আমি সংরক্ষণ করে রেখেছি লিখিতভাবে।
فَذُوقُوا فَلَن نَّزِيدَكُمْ إِلَّا عَذَابًا ٣٠
অতএব এখন স্বাদ গ্রহণ কর, আমি তোমাদের জন্য কেবল শাস্তিই বৃদ্ধি করব (অন্য আর কিছু নয়)।
অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন