পৃষ্ঠা 536
Al-Waqiah · 56:51–56:76
সূরা Al-Waqiah الواقعة
ثُمَّ إِنَّكُمْ أَيُّهَا الضَّالُّونَ الْمُكَذِّبُونَ ٥١
তখন হে গুমরাহ (সত্য) প্রত্যাখ্যানকারীরা!
لَآكِلُونَ مِن شَجَرٍ مِّن زَقُّومٍ ٥٢
তোমরা অবশ্যই জাক্কুম গাছ থেকে আহার করবে,
فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ ٥٣
তা দিয়ে তোমরা তোমাদের পেট ভর্তি করবে,
فَشَارِبُونَ عَلَيْهِ مِنَ الْحَمِيمِ ٥٤
আর তার উপর পান করবে ফুটন্ত পানি,
فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ ٥٥
আর তা পান করবে পিপাসা-কাতর উটের মত
هَٰذَا نُزُلُهُمْ يَوْمَ الدِّينِ ٥٦
প্রতিফল দেয়ার দিনে এই হবে তাদের আপ্যায়ন
نَحْنُ خَلَقْنَاكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُونَ ٥٧
আমিই তো তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তাহলে তোমরা সত্যকে বিশ্বাস করবে না কেন?
أَفَرَأَيْتُم مَّا تُمْنُونَ ٥٨
তোমরা কি ভেবে দেখেছ- তোমরা যে বীর্য নিক্ষেপ কর,
أَأَنتُمْ تَخْلُقُونَهُ أَمْ نَحْنُ الْخَالِقُونَ ٥٩
তা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না তার সৃষ্টিকর্তা আমিই।
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَيْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوقِينَ ٦٠
তোমাদের মধ্যে মৃত্যু আমিই নির্ধারণ করি, আর আমি কিছুমাত্র অক্ষম নই
عَلَىٰ أَن نُّبَدِّلَ أَمْثَالَكُمْ وَنُنشِئَكُمْ فِي مَا لَا تَعْلَمُونَ ٦١
তোমাদের আকার আকৃতি পরিবর্তন করতে আর তোমাদেরকে (নতুনভাবে) এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করতে যা তোমরা জান না।
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْأَةَ الْأُولَىٰ فَلَوْلَا تَذَكَّرُونَ ٦٢
তোমরা তোমাদের প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে অবশ্যই জান তাহলে (আল্লাহ যে তোমাদেরকে পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম এ কথা) তোমরা অনুধাবন কর না কেন?
أَفَرَأَيْتُم مَّا تَحْرُثُونَ ٦٣
তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে?
أَأَنتُمْ تَزْرَعُونَهُ أَمْ نَحْنُ الزَّارِعُونَ ٦٤
তোমরাই কি তা উৎপন্ন কর, না আমিই উৎপন্নকারী?
لَوْ نَشَاءُ لَجَعَلْنَاهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُونَ ٦٥
আমি ইচ্ছে করলে তাকে অবশ্যই খড়কুটা করে দিতে পারি, তখন তোমরা হয়ে যাবে বিস্ময়ে হতবাক।
إِنَّا لَمُغْرَمُونَ ٦٦
(আর বলবে যে) ‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হয়ে পড়লাম,
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ٦٧
বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেলাম।
أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ ٦٨
তোমরা কি পানি সম্পর্কে চিন্তা করে দেখেছ যা তোমরা পান কর?
أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ ٦٩
তা কি তোমরাই মেঘ থেকে বর্ষণ কর, নাকি তার বষর্ণকারী আমিই?
لَوْ نَشَاءُ جَعَلْنَاهُ أُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُونَ ٧٠
আমি ইচ্ছে করলে তাকে লবণাক্ত করে দিতে পারি, তাহলে কেন তোমরা শোকর আদায় কর না?
أَفَرَأَيْتُمُ النَّارَ الَّتِي تُورُونَ ٧١
তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করে দেখেছ?
أَأَنتُمْ أَنشَأْتُمْ شَجَرَتَهَا أَمْ نَحْنُ الْمُنشِئُونَ ٧٢
তার (জ্বালানোর) গাছ (অর্থাৎ কাঠ) কি তোমরাই বানিয়েছ, নাকি আমিই বানিয়েছি?
نَحْنُ جَعَلْنَاهَا تَذْكِرَةً وَمَتَاعًا لِّلْمُقْوِينَ ٧٣
আমি তাকে (অর্থাৎ আগুনকে) করেছি স্মারক (যা জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়) আর মরুর অধিবাসীদের জন্য দরকারী ও আরামের বস্তু।
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ٧٤
কাজেই (হে নবী!) তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের মহিমা ও গৌরব ঘোষণা কর।
فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ٧٥
উপরন্তু আমি শপথ করছি তারকারাজির অস্তাচলের।
وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ ٧٦
তা অবশ্যই অতি বড় শপথ যদি তোমরা জানতে!
অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন