OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 372

Ash-Shuara · 26:112–26:136

সূরা Ash-Shuara الشعراء

قَالَ وَمَا عِلْمِي بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ١١٢

নূহ বলল- ‘তারা কী করত সেটা আমার জানা নেই।

إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّي لَوْ تَشْعُرُونَ ١١٣

তাদের হিসাব নেয়া তো আমার প্রতিপালকের কাজ, যদি তোমরা বুঝতে!

وَمَا أَنَا بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِينَ ١١٤

মু’মিনদেরকে তাড়িয়ে দেয়া আমার কাজ নয়।

إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُّبِينٌ ١١٥

আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا نُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمَرْجُومِينَ ١١٦

তারা বলল- ‘হে নূহ! তুমি যদি বিরত না হও, তাহলে তুমি নিশ্চিতই প্রস্তরাঘাতে নিহত হবে।’

قَالَ رَبِّ إِنَّ قَوْمِي كَذَّبُونِ ١١٧

নূহ বলল- ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার সম্প্রদায় আমাকে প্রত্যাখান করছে।

فَافْتَحْ بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ فَتْحًا وَنَجِّنِي وَمَن مَّعِيَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ١١٨

কাজেই তুমি আমার ও তাদের মধ্যে ফয়সালা ক’রে দাও, আর আমাকে ও আমার সঙ্গী মু’মিনদেরকে ক্ষমা কর।’

فَأَنجَيْنَاهُ وَمَن مَّعَهُ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ ١١٩

অতঃপর আমি তাকে ও তার সঙ্গে যারা ছিল তাদেরকে বোঝাই নৌযানে রক্ষা করলাম।

ثُمَّ أَغْرَقْنَا بَعْدُ الْبَاقِينَ ١٢٠

তারপর অবশিষ্ট সবাইকে ডুবিয়ে দিলাম।

إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ١٢١

অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ١٢٢

তোমার প্রতিপালক, অবশ্যই তিনি প্রবল পরাক্রান্ত, পরম দয়ালু।

كَذَّبَتْ عَادٌ الْمُرْسَلِينَ ١٢٣

‘আদ সম্প্রদায় রসূলগণকে মিথ্যে সাব্যস্ত করেছিল।

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ ١٢٤

যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলল- ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না?

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ١٢٥

আমি তোমাদের জন্য (প্রেরিত) এক বিশ্বস্ত রসুল।

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ١٢٦

কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ١٢٧

আর এ জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান আছে কেবল বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট।

أَتَبْنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ آيَةً تَعْبَثُونَ ١٢٨

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অনর্থক স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করছ?

وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ ١٢٩

আর বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ. যেন তোমরা চিরদিন থাকবে?

وَإِذَا بَطَشْتُم بَطَشْتُمْ جَبَّارِينَ ١٣٠

আর যখন তোমরা (দুর্বল শ্রেণীর লোকদের উপর) আঘাত হান, তখন আঘাত হান নিষ্ঠুর মালিকের মত।

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ١٣١

কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর।

وَاتَّقُوا الَّذِي أَمَدَّكُم بِمَا تَعْلَمُونَ ١٣٢

ভয় কর তাঁকে যিনি তোমাদেরকে যাবতীয় বস্তু দান করেছেন যা তোমাদের জানা আছে।

أَمَدَّكُم بِأَنْعَامٍ وَبَنِينَ ١٣٣

যিনি তোমাদেরকে দান করেছেন গবাদি পশু ও সন্তান-সন্তুতি।

وَجَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ١٣٤

আর উদ্যানরাজি ও ঝর্ণাসমূহ।

إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ١٣٥

আমি তোমাদের জন্য মহা দিবসের শাস্তির ভয় করছি।’

قَالُوا سَوَاءٌ عَلَيْنَا أَوَعَظْتَ أَمْ لَمْ تَكُن مِّنَ الْوَاعِظِينَ ١٣٦

তারা বলল- ‘তুমি নসীহত কর আর না কর, আমাদের জন্য দু’ই সমান।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন