OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 373

Ash-Shuara · 26:137–26:159

সূরা Ash-Shuara الشعراء

إِنْ هَٰذَا إِلَّا خُلُقُ الْأَوَّلِينَ ١٣٧

এসব (কথাবার্তা বলা) পূর্ববর্তী লোকেদের অভ্যাস ছাড়া আর অন্য কিছুই না।

وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ١٣٨

আমাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে না।’

فَكَذَّبُوهُ فَأَهْلَكْنَاهُمْ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ١٣٩

অতঃপর তারা তাকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখ্যান করল। তখন আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিলাম। অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ١٤٠

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি মহা প্রতাপশালী, বড়ই দয়ালু।

كَذَّبَتْ ثَمُودُ الْمُرْسَلِينَ ١٤١

সামূদ জাতি রসূলগণকে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ صَالِحٌ أَلَا تَتَّقُونَ ١٤٢

যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বলেছিল- তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না?

إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ١٤٣

আমি তোমাদের জন্য (প্রেরিত) বিশ্বস্ত রসূল।

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ١٤٤

কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও আমাকে মান্য কর।

وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ١٤٥

আর এজন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো আছে একমাত্র বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট।

أَتُتْرَكُونَ فِي مَا هَاهُنَا آمِنِينَ ١٤٦

তোমাদেরকে কি এখানে যে সব (ভোগ বিলাস) আছে তাতেই নিরাপদে রেখে দেয়া হবে?

فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ١٤٧

উদ্যানরাজি আর ঝার্ণাসমূহে।

وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ ١٤٨

আর শষ্যক্ষেতে ও ফুলে আচ্ছাদিত (ফলে ভারাক্রান্ত) খেজুর বাগানে?

وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ ١٤٩

এবং তোমরা দক্ষতার সাথে পাহাড় কেটে গৃহ নির্মাণ করছ।

فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ١٥٠

কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও আমাকে মান্য কর।

وَلَا تُطِيعُوا أَمْرَ الْمُسْرِفِينَ ١٥١

এবং সীমালঙ্ঘনকারীদের নির্দেশ মান্য কর না।

الَّذِينَ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ ١٥٢

যারা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, সংস্কার করে না।’

قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ ١٥٣

তারা বলল- ‘তুমি তো কেবল যাদুগ্রস্তদের একজন।

مَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا فَأْتِ بِآيَةٍ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ١٥٤

তুমি আমাদের মত মানুষ ছাড়া আর কিছুই না। কাজেই তুমি সত্যবাদী হলে একটা নিদর্শন হাজির কর।

قَالَ هَٰذِهِ نَاقَةٌ لَّهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ ١٥٥

সালিহ বলল- ‘এই একটি উটনি, এর জন্য আছে পানি পানের পালা আর তোমাদের জন্য আছে পানি পানের পালা নির্ধারিত দিনে।

وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ ١٥٦

অনিষ্ট সাধনের নিমিত্তে তাকে স্পর্শ কর না, তাহলে তোমাদেরকে মহা দিবসের আযাব পাকড়াও করবে।

فَعَقَرُوهَا فَأَصْبَحُوا نَادِمِينَ ١٥٧

কিন্তু তারা তাকে বধ করল, ফলে তারা অনুতপ্ত হল।

فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ١٥٨

অতঃপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ١٥٩

আর তোমার প্রতিপালক তিনি তো মহা পরাক্রমশালী, বড়ই দয়ালু।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন