পৃষ্ঠা 371
Ash-Shuara · 26:84–26:111
সূরা Ash-Shuara الشعراء
وَاجْعَل لِّي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ ٨٤
এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।
وَاجْعَلْنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ ٨٥
এবং আমাকে নি‘য়ামাতপূর্ণ জান্নাতের উত্তরাধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর।
وَاغْفِرْ لِأَبِي إِنَّهُ كَانَ مِنَ الضَّالِّينَ ٨٦
আর তুমি আমার পিতাকে ক্ষমা কর, তিনি তো গুমরাহদের অর্ন্তভুক্ত।
وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ ٨٧
এবং পুনরুত্থান দিবসে আমাকে অপমানিত করো না।
يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ ٨٨
যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি কোন কাজে আসবে না।
إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ ٨٩
কেবল (সাফল্য লাভ করবে) সে ব্যক্তি যে বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে আল্লাহর নিকট আসবে।
وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ ٩٠
আর জান্নাতকে মুত্তাকীদের নিকটবর্তী করা হবে।
وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ ٩١
এবং পথভ্রষ্টদের সম্মুখে জাহান্নামকে উন্মোচিত করা হবে।
وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ ٩٢
আর তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যার ‘ইবাদাত করতে তারা কোথায়
مِن دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنصُرُونَكُمْ أَوْ يَنتَصِرُونَ ٩٣
আল্লাহকে বাদ দিয়ে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে কিংবা তাদের নিজেদেরকে সাহায্য করতে পারে?
فَكُبْكِبُوا فِيهَا هُمْ وَالْغَاوُونَ ٩٤
অতঃপর তাদেরকে ও পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে মুখের ভরে নিক্ষেপ করা হবে।
وَجُنُودُ إِبْلِيسَ أَجْمَعُونَ ٩٥
আর ইবলীসের দলবল সবাইকে।
قَالُوا وَهُمْ فِيهَا يَخْتَصِمُونَ ٩٦
সেখানে তারা বিতর্কে লিপ্ত হয়ে বলবে,
تَاللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ ٩٧
‘আল্লাহর কসম! আমরা অবশ্য স্পষ্ট গুমরাহীতে ছিলাম।
إِذْ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ الْعَالَمِينَ ٩٨
যখন আমরা তোমাদেরকে সর্বজগতের পালনকর্তার সমকক্ষ স্থির করতাম।
وَمَا أَضَلَّنَا إِلَّا الْمُجْرِمُونَ ٩٩
অপরাধীরাই আমাদেরকে গোমরাহ্ করেছিল।
فَمَا لَنَا مِن شَافِعِينَ ١٠٠
কাজেই আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।
وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍ ١٠١
একজন অন্তরঙ্গ বন্ধুও নেই।
فَلَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً فَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ١٠٢
আমাদের যদি একটিবার পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ হত, তাহলে আমরা মু’মিনদের অর্ন্তভুক্ত হয়ে যেতাম।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ١٠٣
এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই ঈমান আনে না।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ١٠٤
তোমার প্রতিপালক, তিনি অবশ্যই মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
كَذَّبَتْ قَوْمُ نُوحٍ الْمُرْسَلِينَ ١٠٥
নূহের কওম রসুলগণকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখান করেছিল।
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ نُوحٌ أَلَا تَتَّقُونَ ١٠٦
যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বলেছিল- ‘তোমরা কি ভয় করবে না (আল্লাহকে)?
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ١٠٧
আমি তোমাদের জন্য (প্রেরিত) বিশ্বস্ত রাসুল।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ١٠٨
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ও আমার অনুসরণ কর।
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ١٠٩
আমি তার জন্য তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান একমাত্র বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছেই আছে।’
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ١١٠
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর।
قَالُوا أَنُؤْمِنُ لَكَ وَاتَّبَعَكَ الْأَرْذَلُونَ ١١١
তারা বলল- ‘আমরা কি তোমার প্রতি বিশ্বাস করব যখন তোমার অনুসরণ করছে একেবারে নিম্নশ্রেণীর লোকেরা।’
অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন