পৃষ্ঠা 597
Ash-Sharh, At-Tin, Al-Alaq · 94:3–96:12
সূরা Ash-Sharh الشرح
الَّذِي أَنقَضَ ظَهْرَكَ ٣
যা তোমার কোমরকে ভেঙ্গে দিচ্ছিল।
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ ٤
এবং আমি (মু’মিনদের যাবতীয় আবশ্যিক ‘ইবাদাত আযান, ইক্বামাত, নামায, খুৎবাহ ইত্যাদির মাধ্যমে) তোমার স্মৃতিকে উচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরেছি।
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ٥
কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে,
إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا ٦
নিঃসন্দেহে কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে।
فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ ٧
কাজেই তুমি যখনই অবসর পাবে, ‘ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাবে,
وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَارْغَب ٨
এবং তোমার রব-এর প্রতি গভীরভাবে মনোযোগ দিবে।
সূরা At-Tin التين
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ ١
শপথ তীন ও যায়তূন-এর (যা জন্মে সিরিয়া ও ফিলিস্তিন এলাকায় যে স্থান বহু পুণ্যময় নবী ও রসূলের স্মৃতিতে ধন্য)।
وَطُورِ سِينِينَ ٢
শপথ সিনাই পর্বতের (যা নবী মূসার স্মৃতি বিজড়িত),
وَهَٰذَا الْبَلَدِ الْأَمِينِ ٣
আর (ইবরাহীম ও ইসমাঈল কর্তৃক নির্মিত কা‘বার) এই নিরাপদ নগরীর শপথ,
لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ ٤
আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি অতি উত্তম আকার আকৃতি দিয়ে, (এবং জ্ঞান ও যোগ্যতা দিয়ে যার সুন্দরতম নমুনা হল নবী রসূলগণ)।
ثُمَّ رَدَدْنَاهُ أَسْفَلَ سَافِلِينَ ٥
আবার উল্টোদিকে তাকে করেছি হীনদের হীনমত (যেমন আল্লাহ বিদ্রোহী কাফির, অত্যাচারী রাজা-বাদশা-শাসক, খুনী, পুতুল পূজারী ইত্যাদি)।
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ ٦
কিন্তু তাদেরকে নয় যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে, তাদের জন্য তো আছে অফুরন্ত প্রতিদান।
فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِالدِّينِ ٧
(ভাল কাজের পুরস্কার দেয়া আর অন্যায় কাজের শাস্তি দেয়াই ইনসাফপূর্ণ কথা) কাজেই শেষ বিচারের দিনকে অস্বীকার করতে কিসে তোমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে?
أَلَيْسَ اللَّهُ بِأَحْكَمِ الْحَاكِمِينَ ٨
আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম (বিচারক) নন?
সূরা Al-Alaq العلق
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ١
পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন,
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ ٢
সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট-বাঁধা রক্তপিন্ড হতে।
اقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ ٣
পাঠ কর, আর তোমার রব বড়ই অনুগ্রহশীল।
الَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ ٤
যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলম দিয়ে,
عَلَّمَ الْإِنسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ ٥
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না,
كَلَّا إِنَّ الْإِنسَانَ لَيَطْغَىٰ ٦
না (এমন আচরণ করা) মোটেই ঠিক নয়, মানুষ অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করে,
أَن رَّآهُ اسْتَغْنَىٰ ٧
কারণ, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে,
إِنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ الرُّجْعَىٰ ٨
নিঃসন্দেহে (সকলকে) ফিরে যেতে হবে তোমার প্রতিপালকের দিকে।
أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَىٰ ٩
তুমি কি তাকে (অর্থাৎ আবূ জাহলকে) দেখেছ যে নিষেধ করে,
عَبْدًا إِذَا صَلَّىٰ ١٠
এক বান্দাহকে [অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সা.)-কে] যখন সে নামায আদায় করতে থাকে?
أَرَأَيْتَ إِن كَانَ عَلَى الْهُدَىٰ ١١
তুমি কি ভেবে দেখেছ (যাকে নিষেধ করা হচ্ছে) সে যদি সৎ পথে থাকে,
أَوْ أَمَرَ بِالتَّقْوَىٰ ١٢
আর তাকওয়া অবলম্বনের নির্দেশ দেয় (তাহলে তার এ কাজগুলো কেমন মনে কর?)
অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন