OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 568

Al-Haqqah, Al-Maarij · 69:36–70:10

সূরা Al-Haqqah الحاقة

وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍ ٣٦

ক্ষত হতে পড়া পুঁজ ছাড়া কোন খাদ্য নেই,

لَّا يَأْكُلُهُ إِلَّا الْخَاطِئُونَ ٣٧

যা অপরাধীরা ছাড়া অন্য কেউ খায় না।

فَلَا أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ ٣٨

আমি কসম করছি সে সব জিনিসের যা তোমরা দেখতে পাও,

وَمَا لَا تُبْصِرُونَ ٣٩

আর (সে সব জিনিসেরও) যা তোমরা দেখতে পাও না

إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ ٤٠

যে, অবশ্যই এ কুরআন এক মহা সম্মানিত রসূল [জিবরীল (আঃ)]-এর (বহন করে আনা) বাণী।

وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ قَلِيلًا مَّا تُؤْمِنُونَ ٤١

তা কোন কবির কথা নয়, (কবির কথা তো) তোমরা বিশ্বাস করো না,

وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ ٤٢

এটা কোন গণকের কথাও নয়, (গণকের কথায় তো) তোমরা নসীহত লাভ করো না।

تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ الْعَالَمِينَ ٤٣

এটা বিশ্ব জগতের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ,

وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ الْأَقَاوِيلِ ٤٤

নবী যদি কোন কথা নিজে রচনা করে আমার নামে চালিয়ে দিত,

لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِالْيَمِينِ ٤٥

আমি অবশ্যই তার ডান হাত ধরে তাকে পাকড়াও করতাম,

ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ الْوَتِينَ ٤٦

তারপর অবশ্যই কেটে দিতাম তার হৃৎপিন্ডের শিরা,

فَمَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَاجِزِينَ ٤٧

অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে, (আমার গোস্বা থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য) বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

وَإِنَّهُ لَتَذْكِرَةٌ لِّلْمُتَّقِينَ ٤٨

মুত্তাক্বীদের জন্য এ কুরআন অবশ্যই এক উপদেশ,

وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنكُم مُّكَذِّبِينَ ٤٩

আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক লোক (কুরআনকে) অস্বীকার করবে।

وَإِنَّهُ لَحَسْرَةٌ عَلَى الْكَافِرِينَ ٥٠

আর এ কুরআন কাফিরদের জন্য অবশ্যই দুঃখ ও হতাশার কারণ হবে (যখন কুরআনে বর্ণিত শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ধরবে)।

وَإِنَّهُ لَحَقُّ الْيَقِينِ ٥١

এটা একেবারে নিশ্চিত সত্য।

فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ ٥٢

অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা কর।

সূরা Al-Maarij المعارج

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

سَأَلَ سَائِلٌ بِعَذَابٍ وَاقِعٍ ١

এক ব্যক্তি চাইল সে ‘আযাব যা অবশ্যই সংঘটিত হবে।

لِّلْكَافِرِينَ لَيْسَ لَهُ دَافِعٌ ٢

কাফিরদের জন্য তা প্রতিরোধ করার কেউ নেই

مِّنَ اللَّهِ ذِي الْمَعَارِجِ ٣

(যে শাস্তি আসবে) আল্লাহর নিকট হতে যিনি আসমানে উঠার সিঁড়িগুলোর মালিক,

تَعْرُجُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ ٤

ফেরেশতা এবং রূহ (অর্থাৎ জিবরীল) আল্লাহর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।

فَاصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا ٥

সুতরাং (হে নবী!) ধৈর্য ধর- সুন্দর সৌজন্যমূলক ধৈর্য।

إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُ بَعِيدًا ٦

তারা ঐ দিনটিকে সুদূর মনে করছে,

وَنَرَاهُ قَرِيبًا ٧

কিন্তু আমি তা নিকটে দেখতে পাচ্ছি।

يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ ٨

সেদিন আকাশ হবে গলিত রূপার মত,

وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ ٩

আর পাহাড়গুলো হবে রঙ্গীণ পশমের মত,

وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا ١٠

বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না,

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন