OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 446

As-Saffat · 37:1–37:24

সূরা As-Saffat الصافات

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالصَّافَّاتِ صَفًّا ١

শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো,

فَالزَّاجِرَاتِ زَجْرًا ٢

অতঃপর যারা ধমক দিয়ে তিরস্কার করে তাদের শপথ,

فَالتَّالِيَاتِ ذِكْرًا ٣

আর যারা (আল্লাহর) যিকর আবৃত্তিতে লিপ্ত,

إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَاحِدٌ ٤

তোমাদের প্রকৃত ইলাহ অবশ্য একজন।

رَّبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ الْمَشَارِقِ ٥

যিনি আসমান, যমীন আর এ দু’য়ের মাঝে যা আছে এবং সকল উদয় স্থলের মালিক।

إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ ٦

আমি নিকটবর্তী আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্য দ্বারা সুশোভিত করেছি,

وَحِفْظًا مِّن كُلِّ شَيْطَانٍ مَّارِدٍ ٧

আর (এটা করেছি) প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়ত্বান থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা হিসেবে।

لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى الْمَلَإِ الْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍ ٨

যার ফলে তারা উচ্চতর জগতের কিছু শুনতে পারে না, চতুর্দিক থেকে তাদের প্রতি নিক্ষেপ করা হয় (উল্কাপিন্ড)

دُحُورًا وَلَهُمْ عَذَابٌ وَاصِبٌ ٩

(তাদেরকে) তাড়ানোর জন্য। তাদের জন্য আছে বিরামহীন শাস্তি।

إِلَّا مَنْ خَطِفَ الْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ ثَاقِبٌ ١٠

তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পিছু নেয়।

فَاسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَا إِنَّا خَلَقْنَاهُم مِّن طِينٍ لَّازِبٍ ١١

তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- সৃষ্টির ক্ষেত্রে কি তারাই বেশি প্রবল, না আমি অন্য যা কিছু সৃষ্টি করেছি তা (বেশি প্রবল)? আমি তো তাদেরকে সৃষ্টি করেছি (অতি নগণ্য) মাটি থেকে।

بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ ١٢

(আল্লাহর শক্তি-ক্ষমতা-মহিমা দেখে) তুমি কর বিস্ময়বোধ, আর তারা করে বিদ্রূপ।

وَإِذَا ذُكِّرُوا لَا يَذْكُرُونَ ١٣

তাদেরকে উপদেশ দেয়া হলে তারা উপদেশ নেয় না।

وَإِذَا رَأَوْا آيَةً يَسْتَسْخِرُونَ ١٤

তারা আল্লাহর কোন নিদর্শন দেখলে ঠাট্টা করে।

وَقَالُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ ١٥

আর তারা বলে- ‘এটা স্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই না।’

أَإِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَامًا أَإِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ١٦

আমরা যখন মরব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনো কি আমাদেরকে আবার জীবিত করে উঠানো হবে?

أَوَآبَاؤُنَا الْأَوَّلُونَ ١٧

এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও (উঠানো হবে)?’

قُلْ نَعَمْ وَأَنتُمْ دَاخِرُونَ ١٨

তাদেরকে বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’

فَإِنَّمَا هِيَ زَجْرَةٌ وَاحِدَةٌ فَإِذَا هُمْ يَنظُرُونَ ١٩

ওটা (হবে) মাত্র একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা স্বচক্ষে (সব কিছু) দেখতে পাবে।

وَقَالُوا يَا وَيْلَنَا هَٰذَا يَوْمُ الدِّينِ ٢٠

তারা আরো বলবে- ‘‘হায় আমাদের দুর্ভাগ্য! এটাই তো কর্মফলের দিন।’

هَٰذَا يَوْمُ الْفَصْلِ الَّذِي كُنتُم بِهِ تُكَذِّبُونَ ٢١

এটাই ফয়সালার দিন যাকে তোমরা মিথ্যে বলে অস্বীকার করতে।

احْشُرُوا الَّذِينَ ظَلَمُوا وَأَزْوَاجَهُمْ وَمَا كَانُوا يَعْبُدُونَ ٢٢

(হুকুম দেয়া হবে) ‘একত্র কর যালিমদেরকে আর তাদের সঙ্গীদেরকে এবং তাদেরকেও, যাদের তারা ‘ইবাদাত করত

مِن دُونِ اللَّهِ فَاهْدُوهُمْ إِلَىٰ صِرَاطِ الْجَحِيمِ ٢٣

আল্লাহর (‘ইবাদাতের) পরিবর্তে, আর তাদেরকে জাহান্নামের পথ দেখাও।

وَقِفُوهُمْ إِنَّهُم مَّسْئُولُونَ ٢٤

অতঃপর ওদেরকে থামাও ওদেরকে তো প্রশ্ন করা হবে-

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন