OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 528

An-Najm, Al-Qamar · 53:45–54:6

সূরা An-Najm النجم

وَأَنَّهُ خَلَقَ الزَّوْجَيْنِ الذَّكَرَ وَالْأُنثَىٰ ٤٥

আর এই যে, তিনিই সৃষ্টি করেন জোড়া- পুরুষ আর নারী,

مِن نُّطْفَةٍ إِذَا تُمْنَىٰ ٤٦

এক ফোঁটা শুক্র হতে যখন তা নিক্ষিপ্ত হয়

وَأَنَّ عَلَيْهِ النَّشْأَةَ الْأُخْرَىٰ ٤٧

আর এই যে, পুনরায় সৃষ্টির দায়িত্বভার তাঁরই উপর,

وَأَنَّهُ هُوَ أَغْنَىٰ وَأَقْنَىٰ ٤٨

আর এই যে, তিনিই অভাবমুক্ত করেন আর সম্পদ দেন,

وَأَنَّهُ هُوَ رَبُّ الشِّعْرَىٰ ٤٩

আর এই যে, শি‘রা (অর্থাৎ লুব্ধক নক্ষত্র)’র তিনিই প্রতিপালক,

وَأَنَّهُ أَهْلَكَ عَادًا الْأُولَىٰ ٥٠

আর এই যে, তিনিই প্রাচীন ‘আদ জাতিকে ধ্বংস করেছিলেন,

وَثَمُودَ فَمَا أَبْقَىٰ ٥١

আর সামূদ জাতিকেও, তাদের একজনকেও বাকী রাখেননি।

وَقَوْمَ نُوحٍ مِّن قَبْلُ إِنَّهُمْ كَانُوا هُمْ أَظْلَمَ وَأَطْغَىٰ ٥٢

আর তার পূর্বে নূহের জাতিকেও, তারা ছিল অত্যধিক যালিম ও সীমালঙ্ঘনকারী।

وَالْمُؤْتَفِكَةَ أَهْوَىٰ ٥٣

তিনি (লূত জাতির) উল্টানো আবাস ভূমিকে উঠিয়ে নিক্ষেপ করেছিলেন,

فَغَشَّاهَا مَا غَشَّىٰ ٥٤

অতঃপর তাকে আচ্ছন্ন করল যা তাকে আচ্ছন্ন করেছে।

فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكَ تَتَمَارَىٰ ٥٥

অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের কোন নি‘মাতে সন্দেহ পোষণ করবে?

هَٰذَا نَذِيرٌ مِّنَ النُّذُرِ الْأُولَىٰ ٥٦

অতীতের সতর্ককারীদের মত এ (নবীও) একজন সতর্ককারী।

أَزِفَتِ الْآزِفَةُ ٥٧

আগমনকারী মুহূর্ত (ক্বিয়ামত) নিকটবর্তী।

لَيْسَ لَهَا مِن دُونِ اللَّهِ كَاشِفَةٌ ٥٨

আল্লাহ ছাড়া কেউ তা সরাতে পারে না (বা প্রকাশ করতে পারে না)।

أَفَمِنْ هَٰذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ ٥٩

তোমরা কি এ কথায় বিস্মিত হচ্ছ?

وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ ٦٠

আর হাসছ, কাঁদছ না?

وَأَنتُمْ سَامِدُونَ ٦١

বৃথা খেল-তামাশায় সময় ক্ষেপন করছ,

فَاسْجُدُوا لِلَّهِ وَاعْبُدُوا ۩ ٦٢

তাই, আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাজদায় পতিত হও আর তাঁর বন্দেগী কর।[সাজদাহ]

সূরা Al-Qamar القمر

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ ١

ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চন্দ্র খন্ডিত হয়েছে,

وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ ٢

কিন্তু তারা যখন কোন নিদর্শন দেখে তখন মুখ ফিরিয়ে নেয় আর বলে- ‘এটা তো সেই আগের থেকে চলে আসা যাদু।’

وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ ٣

তারা সত্যকে অস্বীকার করে, আর নিজেদের কামনা বাসনার অনুসরণ করে। প্রতিটি বিষয়েরই একটা নির্দিষ্ট সময় আছে (সময় আসলেই বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে)।

وَلَقَدْ جَاءَهُم مِّنَ الْأَنبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ ٤

এই লোকেদের কাছে তো (অতীতের জাতিগুলোর) সংবাদ এসেছে যাতে আছে সাবধান বাণী।

حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ ٥

তা (হল) সুদূর প্রসারী জ্ঞান, কিন্তু সেই সতর্কবাণী কোন কাজে আসেনি।

فَتَوَلَّ عَنْهُمْ يَوْمَ يَدْعُ الدَّاعِ إِلَىٰ شَيْءٍ نُّكُرٍ ٦

কাজেই (হে নবী) তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও (আর অপেক্ষা কর সে দিনের) যেদিন এক আহবানকারী (তাদেরকে) আহবান করবে এক ভয়াবহ বিষয়ের দিকে।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন