OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 526

An-Najm · 53:1–53:26

সূরা An-Najm النجم

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ ١

শপথ তারকার যখন তা অস্ত যায়,

مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ٢

তোমাদের (মাঝে ছোট থেকে বড় হয়েছে সেই) সঙ্গী গুমরাহও নয় আর ভুলপথে পরিচালিতও নয়,

وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ ٣

আর সে মনগড়া কথাও বলে না।

إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ ٤

তাতো ওয়াহী যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ করা হয়,

عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَىٰ ٥

তাকে শিক্ষা দেয় শক্তিশালী,

ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَىٰ ٦

প্রজ্ঞার অধিকারী (জিবরাঈল) সে নিজ আকৃতিতে স্থির হয়ে ছিল,

وَهُوَ بِالْأُفُقِ الْأَعْلَىٰ ٧

আর সে ছিল ঊর্ধ্ব দিগন্তে,

ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ ٨

অতঃপর সে (নবীর) নিকটবর্তী হল, অতঃপর আসলো আরো নিকটে,

فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ ٩

ফলে [নবী (সাঃ) ও জিবরাঈলের মাঝে] দুই ধনুকের ব্যবধান রইল অথবা আরো কম।

فَأَوْحَىٰ إِلَىٰ عَبْدِهِ مَا أَوْحَىٰ ١٠

তখন (আল্লাহ) তাঁর বান্দাহর প্রতি ওয়াহী করলেন যা ওয়াহী করার ছিল।

مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَىٰ ١١

(নবীর) অন্তঃকরণ মিথ্যে মনে করেনি যা সে দেখে ছিল।

أَفَتُمَارُونَهُ عَلَىٰ مَا يَرَىٰ ١٢

সে যা দেখেছে সে বিষয়ে তোমরা কি তার সঙ্গে বিতর্ক করবে?

وَلَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ ١٣

অবশ্যই সে [অর্থাৎ নবী (সা.)] তাকে [অর্থাৎ জিবরাঈল (আঃ)-কে] আরেকবার দেখেছিল

عِندَ سِدْرَةِ الْمُنتَهَىٰ ١٤

শেষসীমার বরই গাছের কাছে,

عِندَهَا جَنَّةُ الْمَأْوَىٰ ١٥

যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত।

إِذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَىٰ ١٦

যখন গাছটি যা দিয়ে ঢেকে থাকার তা দিয়ে ঢাকা ছিল, (যার বর্ণনা মানুষের বোধগম্য নয়)

مَا زَاغَ الْبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ ١٧

(নবীর) দৃষ্টি ভ্রমও ঘটেনি, সীমা ছাড়িয়েও যায়নি।

لَقَدْ رَأَىٰ مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَىٰ ١٨

সে তার প্রতিপালকের বড় বড় নিদর্শন দেখেছিল।

أَفَرَأَيْتُمُ اللَّاتَ وَالْعُزَّىٰ ١٩

তোমরা কি লাত ও উযযা সম্পর্কে ভেবে দেখেছ?

وَمَنَاةَ الثَّالِثَةَ الْأُخْرَىٰ ٢٠

আর তৃতীয় আরেকটি মানাৎ সম্পর্কে? (এ সব অক্ষম, বাকশক্তিহীন, নড়া-চড়ার শক্তিহীন মূর্তিগুলোর পূজা করা কতটা যুক্তিযুক্ত)

أَلَكُمُ الذَّكَرُ وَلَهُ الْأُنثَىٰ ٢١

কী! তোমাদের জন্য পুত্র সন্তান আর আল্লাহর জন্য কন্যা সন্তান?

تِلْكَ إِذًا قِسْمَةٌ ضِيزَىٰ ٢٢

তাহলে এটাতো খুবই অসঙ্গত ভাগ-বাঁটোয়ারা।

إِنْ هِيَ إِلَّا أَسْمَاءٌ سَمَّيْتُمُوهَا أَنتُمْ وَآبَاؤُكُم مَّا أَنزَلَ اللَّهُ بِهَا مِن سُلْطَانٍ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَمَا تَهْوَى الْأَنفُسُ وَلَقَدْ جَاءَهُم مِّن رَّبِّهِمُ الْهُدَىٰ ٢٣

এগুলো তো কেবল কতকগুলো নাম যে নাম তোমরা আর তোমাদের পিতৃ পৃরুষরা রেখেছ, এর পক্ষে আল্লাহ কোন প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। তারা তো শুধু অনুমান আর প্রবৃত্তিরই অনুসরণ করে, যদিও তাদের কাছে তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে পথ নির্দেশ এসেছে।

أَمْ لِلْإِنسَانِ مَا تَمَنَّىٰ ٢٤

মানুষ কি তাই পায় যা সে চায়? (আল্লাহ যাকে যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে দেন ইহকালে আর পরকালে),

فَلِلَّهِ الْآخِرَةُ وَالْأُولَىٰ ٢٥

কেননা আল্লাহই পরকাল আর ইহকালের মালিক।

وَكَم مِّن مَّلَكٍ فِي السَّمَاوَاتِ لَا تُغْنِي شَفَاعَتُهُمْ شَيْئًا إِلَّا مِن بَعْدِ أَن يَأْذَنَ اللَّهُ لِمَن يَشَاءُ وَيَرْضَىٰ ٢٦

আকাশে কতই না ফেরেশতা আছে তাদের সুপারিশ কোনই কাজে আসবে না, তবে (কাজে আসবে) যদি তিনি অনুমতি দেন যার জন্য আল্লাহ ইচ্ছে করবেন এবং যার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন