OnlineMushaf

পৃষ্ঠা 521

Adh-Dhariyat · 51:7–51:30

সূরা Adh-Dhariyat الذاريات

وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ٧

বহু পথ বিশিষ্ট আকাশের শপথ।

إِنَّكُمْ لَفِي قَوْلٍ مُّخْتَلِفٍ ٨

(পরকাল সম্পর্কে) তোমরা অবশ্যই রয়েছ মতভেদের মধ্যে।

يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ٩

যারা সেই (সত্য) মানতে ভুল করে তারাই গুমরাহ।

قُتِلَ الْخَرَّاصُونَ ١٠

অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,

الَّذِينَ هُمْ فِي غَمْرَةٍ سَاهُونَ ١١

যারা অজ্ঞতা ও উদাসীনতার মধ্যে রয়েছে।

يَسْأَلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ الدِّينِ ١٢

তারা জিজ্ঞেস করে- ‘প্রতিফল দিবস কবে হবে?’

يَوْمَ هُمْ عَلَى النَّارِ يُفْتَنُونَ ١٣

(তা হবে সেদিন) যেদিন তাদেরকে আগুনে শাস্তি দেয়া হবে।

ذُوقُوا فِتْنَتَكُمْ هَٰذَا الَّذِي كُنتُم بِهِ تَسْتَعْجِلُونَ ١٤

(তাদেরকে বলা হবে) তোমরা তোমাদের (কৃতকর্মের) শাস্তি ভোগ কর, এটা হচ্ছে তাই যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে।

إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ١٥

মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাত আর ঝর্ণাধারার মাঝে।

آخِذِينَ مَا آتَاهُمْ رَبُّهُمْ إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَٰلِكَ مُحْسِنِينَ ١٦

তাদের প্রতিপালক যা তাদেরকে দিবেন তা তারা ভোগ করবে, কারণ তারা পূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) ছিল সৎকর্মশীল,

كَانُوا قَلِيلًا مِّنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ١٧

তারা রাত্রিকালে খুব কমই শয়ন করত।

وَبِالْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ١٨

আর তারা রাত্রির শেষ প্রহরে ক্ষমা প্রার্থনা করত।

وَفِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِّلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ ١٩

এবং তাদের ধন-মালে আছে যাঞ্ঝাকারী ও বঞ্চিতদের অধিকার (যা তারা আদায় করত)।

وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِّلْمُوقِنِينَ ٢٠

নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে আছে নিদর্শন,

وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ٢١

আর (নিদর্শন আছে) তোমাদের মাঝেও, তোমরা কি দেখ না?

وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ ٢٢

এবং আকাশে আছে তোমাদের রিযক আর আছে যার ও‘য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।

فَوَرَبِّ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنَّهُ لَحَقٌّ مِّثْلَ مَا أَنَّكُمْ تَنطِقُونَ ٢٣

আকাশ ও যমীনের প্রতিপালকের শপথ! এ সব অবশ্যই সত্য, এমনই দৃঢ় সত্য যেমন তোমরা (যে কথাবার্তা) বলে থাক (সেই কথাবার্তা বলার ব্যাপারটা যেমন নিঃসন্দেহে সত্য)।

هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ ٢٤

তোমার কাছে ইবরাহীমের সম্মানিত মেহমানদের খবর পৌঁছেছে কি?

إِذْ دَخَلُوا عَلَيْهِ فَقَالُوا سَلَامًا قَالَ سَلَامٌ قَوْمٌ مُّنكَرُونَ ٢٥

যখন তারা তার সামনে উপস্থিত হল তখন বলল, ‘সালাম’। সে উত্তর দিল- ‘সালাম’। (ইবরাহীম মনে মনে ভাবল এদেরকে তো দেখছি) অপরিচিত লোক।

فَرَاغَ إِلَىٰ أَهْلِهِ فَجَاءَ بِعِجْلٍ سَمِينٍ ٢٦

তখন সে তাড়াতাড়ি তার ঘরের লোকেদের নিকট চলে গেল এবং একটি মোটাতাজা (ভাজা) বাছুর নিয়ে আসল।

فَقَرَّبَهُ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ٢٧

অতঃপর সেটিকে তাদের সামনে রেখে দিল এবং বলল- ‘তোমরা খাচ্ছ না কেন?’

فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةً قَالُوا لَا تَخَفْ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَامٍ عَلِيمٍ ٢٨

(যখন তারা খেল না) তখন সে তাদের ব্যাপারে মনে ভয় পেয়ে গেল। তারা বলল- ‘তুমি ভয় পেও না’, অতঃপর তারা তাকে এক জ্ঞানবান পুত্রের সুসংবাদ দিল।

فَأَقْبَلَتِ امْرَأَتُهُ فِي صَرَّةٍ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌ ٢٩

তখন তার স্ত্রী চিৎকার করতে করতে এগিয়ে আসল। সে নিজের কপালে আঘাত করে বলল ‘(আমি) এক বৃদ্ধা, বন্ধ্যা’ (আমার কীভাবে সন্তান হবে?)

قَالُوا كَذَٰلِكِ قَالَ رَبُّكِ إِنَّهُ هُوَ الْحَكِيمُ الْعَلِيمُ ٣٠

তারা বলল- ‘‘তোমার প্রতিপালক এ রকমই বলেছেন, তিনি মহা প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ"।

অনুবাদ: তাইসিরুল কুরআন